ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত থাকছে
নভেম্বর মাসের জন্য ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সর্বশেষ ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনে লিটার প্রতি ২০ টাকা হারে বাড়ানো হয়েছে।
সেসময় ডিজেল প্রতি লিটার ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। অতীতে কখনও জ্বালানি তেলের দাম এই পর্যায়ে ছিল না। ওই দাম বৃদ্ধির পর গণপরিবহনে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া বাড়ানো হয়েছে ১৭ পয়সা।
২১ সেপ্টেম্বর দাম বাড়ানো সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছিলেন, জ্বালানি তেল প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোতে পাচার হওয়ার বড় ঝুঁকিতে থাকায় মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে। জ্বালানির বাজার স্বাভাবিক হয়ে এলে আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যেই মূল্য আবারও সমন্বয় করে আগের জায়গায় কিংবা তার থেকেও আরও কম নির্ধারণ করার চেষ্টা করবো।
বাংলাদেশ “জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা” প্রজ্ঞাপন গত ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ কর হয়। ওই ফর্মুলা অনুযায়ী প্রতিমাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয় করার কথা। গেজেট অনুযায়ী বিপিসি ও অন্যদের কমিশন অপরিবর্তিত থাকবে শুধু আমদানি মূল্যের তারতম্য প্রতিমাসে কমবেশি হবে।
অকটেন ও পেট্রোল ব্যক্তিগত যানবাহনে অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হয়, বিলাসী দ্রব্য (লাক্সারি আইটেম) বিবেচনায় ডিজেলের চেয়ে এ দুইয়ের চেয়ে বেশি রাখা হয়। ফর্মুলা অনুযায়ী অকটেন এর মূল্য নির্ধারণকালে ডিজেল এর সাথে পার্থক্য লিটার প্রতি ন্যূনতম ১০ টাকা যেন থাকে সে জন্য প্রাইসিং ফর্মুলায় ‘α’ ফ্যাক্টর বিবেচনায় নিতে বলা হয়েছে। তবে বর্তমানে অকটেনের সঙ্গে ৩০ টাকা ব্যবধান রয়েছে।

















