রোববার, ৩১ আগস্ট ২০২৫ , ১৫.ভাদ্র.১৪৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:০১, ২০ আগস্ট ২০২৫

পিআর দাবিতে ই. আন্দোলনের ১৫ দিনের কর্মসূচি

পিআর দাবিতে ই. আন্দোলনের ১৫ দিনের কর্মসূচি
ফাইল ফটো

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) বলেছেন, গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্রজনতা যে জীবন ও রক্ত উৎসর্গ করেছে তা কেবলই হাসিনার উৎখাতের জন্য না বরং বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি রোধ করার তীব্র আকাঙ্খা থেকেই জনতা রাজপথে এসেছিলো। আমরা স্বৈরতন্ত্র রোধের পরীক্ষিত ও কার্যকর পন্থা হিসেবে পিআর পদ্ধতিতে আগামী নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে রাজপথে পুনরায় অবস্থান গ্রহণ করবো। গত মঙ্গলবার রাতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নিয়মিত বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার দলের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

মুফতি রেজাউল করিম বলেন, তরুণ শিক্ষার্থীদের রক্তকে কোনো রাজনৈতিক দলের লোভের কারণে ব্যর্থ হতে দেওয়া যায় না। তারই অংশ হিসেবে আগামী ১ থেকে ১৫ সেপ্টেম্ব পর্যন্ত দেশের সকল জেলায় গণসমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে এবং ঢাকার প্রতি থানায় থানায় গণসমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ। একইসঙ্গে পিআর’র পক্ষে জনমতকে আরো জোড়ালো করতে প্রচার সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন আদায়ে আমরা বদ্ধপরিকর। আমরা নির্বাচন চাই কিন্তু নির্বাচনের নামে স্বৈরতন্ত্র সহায়ক পুরোনো বন্দোবস্ত ফিরে আসুক তা চাই না। সেজন্য রাজপথের পাশাপাশি সব ধরণের সংগ্রাম চালিয়ে যাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ক্রমান্বয়ে আরো কঠোর কর্মসূচির দিকে অগ্রসর হতেও পিছপা হবে না ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। তাই সরকারকে আহবান জানাবো, নিম্নকক্ষে পিআর পদ্ধতি নিয়ে ঐকমত্য কমিশনে এজেন্ডা তুলুন এবং গণভোট দিন। যারা পিআরের বিরোধিতা করছেন তারা তো মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে। তাই জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে দিন। কোনো দল বিশেষের কাছে নতিস্বীকার করে দেশকে অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিবেন না।

রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মুসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম, সহকারী মহাসচিব আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কেএম আতিকুর রহমান, দফতর সম্পাদক লোকমান হোসেন জাফরি, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক শওকত আলী হাওলাদার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ মকবুল হোসাইন, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক দেলাওয়ার হোসেন সাকী, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মদ নুরুন্নবী, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম রুহুল আমীন, ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, সহ-প্রচার ও দাওয়াহ্ বিষয়ক সম্পাদক কেএম শরীয়াতুল্লাহ, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মানসুর আহমাদ সাকী, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতি রেজাউল করীম আববার ও সদস্য শামসুদ্দোহা আশরাফী।