৫ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, রবিবার ২০ অক্টোবর ২০১৯ ইংরেজি, ২:৫৯ অপরাহ্ণ
Find us on facebook Find us on twitter Find us on you tube RSS feed
প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল জাতীয় পার্টি বামদল অন্যান্য দল প্রশাসন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশন শ্রমিক রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
সারাদেশ নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্ব রাজনীতি উন্নয়ন ও সংগঠন অন্যান সংবাদ প্রবাস সাক্ষাতকার বই মতামত ইতিহাস অর্থনীতি
09 Apr 2017   03:47:16 AM   Sunday BdST A- A A+ Print this E-mail this

হাসিনা-মোদীর আশা

বিদ্যমান সরকারেই তিস্তা সমাধান

নিজস্ব প্রতিবেদক,নয়াদিল্লী
পলিটিক্সবিডি.কম
হাসিনা-মোদীর আশা বিদ্যমান সরকারেই তিস্তা সমাধান

বাংলাদেশ ও ভারতের দুই শীর্ষ নেতা মনে করেন তাদের সরকারের আমলেই তিস্তা পানি বন্টন চুক্তির বিষয়টি সমাধান করা সম্ভভ হবে। শনিবার দুপুরে নয়াদিল্লীর হায়দ্ররাবাদ হাউসে দ্রই প্রধানমন্ত্রীর শীর্ষ বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন তাঁর এবং শেখ হাসিনার সরকার তিস্তা চুক্তির বিষয়টি দ্রুত সমাধান করতে পারবে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করে বলেছেন, তিস্তা চুক্তির বিষয়টি ভারত দ্রুত সমাধান করবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হায়দ্রাবাদ হাউজে মোদীর এই ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। যার কারণে দুই দেশের এই চুক্তি ঝুলে আছে ছয় বছর ধরে।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমাদের দুজনের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিতে আমরা রাজি হয়েছি। তিস্তা চুক্তি, গঙ্গা ব্যারাজ নির্মাণ, পানি ব্যবস্থাপনার সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে আমাদের।
তিস্তা নিয়ে মোদী বলেন, তিস্তা চুক্তি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কেও ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রতিশ্রুতি এবং অব্যাহত প্রচেষ্টা সম্পর্কে আমি আপনাকে (শেখ হাসিনা) এবং বাংলাদেশের জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমার ও আপনার সরকারই তিস্তার পানি বণ্টন সমস্যার সমাধানে পৌঁছতে পারবে।
নরেন্দ্র মোদি বলেন, সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র দুই দেশের জনগণ বিশেষ করে তরুণদের মধ্যকার বন্ধনকে আরও জোরালো করবে। ভারত সব সময় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছে। তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের জিরো টলারেন্স বা শূন্য সহনশীলতা নীতি ভারতের কাছে অনুপ্রেরণা।
নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সাড়ে চার বিলিয়ন ডলার ঋণ (লাইন অব কনসেশনাল ক্রেডিট বা নমনীয় শর্তে ধারাবাহিক ঋণ) দেওয়ার ঘোষণা দেন। এর বাইরে পাঁচ’শ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয় সামরিক খাতে। মোদি বলেন, এটা বাংলাদেশের চাহিদার ভিত্তিতে দেওয়া হবে।
একান্ত ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ঊষ্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে বলে দুই প্রধানমন্ত্রীই জানান। দুজনে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময়ও করেন। এসময় মোদী বাংলায় ‘শুভ নববর্ষ’ জানিয়ে বলেন, “খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে এসেছেন। সামনেই বাংলা নববর্ষ।
শেখ হাসিনার এই সফর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের  আরেকটি ‘সোনালী অধ্যায়’ বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদী বলেন, শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে প্রতিবেশী দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামীতে আরও গভীর হবে এবং গতি পাবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নেওয়া ভারতীয় সেনাদের সন্মাননা জানানোর বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এটা প্রত্যেক ভারতীয়ের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন ভারতের কাম্য মন্তব্য করে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। নতুন নতুন খাতে দুদেশের সহযোগিতা আরও বাড়বে।
বাংলাদেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুপুর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে ৩৪টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। প্রতিরক্ষা, ঋণ, মহাকাশ, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, তথ্যপ্রযুক্তি, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

বিশ্ব রাজনীতি-এর সর্বশেষ

প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল জাতীয় পার্টি বামদল অন্যান্য দল প্রশাসন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশন শ্রমিক রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
সারাদেশ নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্ব রাজনীতি উন্নয়ন ও সংগঠন অন্যান সংবাদ প্রবাস সাক্ষাতকার বই মতামত ইতিহাস অর্থনীতি

সম্পাদক : আবু জাফর সূর্য

কপিরাইট © 2019 পলিটিক্সবিডি.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com