২ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ইংরেজি, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ
Find us on facebook Find us on twitter Find us on you tube RSS feed
প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল জাতীয় পার্টি বামদল অন্যান্য দল প্রশাসন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশন শ্রমিক রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
সারাদেশ নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্ব রাজনীতি উন্নয়ন ও সংগঠন অন্যান সংবাদ প্রবাস সাক্ষাতকার বই মতামত ইতিহাস অর্থনীতি
24 Jun 2017   01:27:35 PM   Saturday BdST A- A A+ Print this E-mail this

ঈদে এলাকামুখী নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
পলিটিক্সবিডি.কম
 ঈদে এলাকামুখী নেতারা

নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার ঈদুল ফিতরে এলাকামুখী হচ্ছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপির শীর্ষ নেতারা। দলের পক্ষ থেকেও নেতাদের নিজ নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন এবং জনসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অনেক নেতাই পৌঁছে গেছেন নিজ নিজ এলাকায়। বাকিরা আজকালের মধ্যে যাবেন। কেউ কেউ ঢাকায় ঈদ করে ছুটবেন নিজ এলাকায়। যদিও দুই দলের প্রধান ঢাকায় ঈদ উদযাপন এবং সর্বসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বলে জানা গেছে। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদের দিন গণভবনে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সর্বসাধারণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। আর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে।


আওয়ামী লীগ নেতাদের ঈদ : ঈদ সামনে রেখে এলাকার মানুষের কাছে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের। সেইসঙ্গে মন্ত্রী-এমপিদের বলা হয়েছে এলাকার মানুষের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে। এর মধ্য দিয়ে নেতাকর্মী ও জনগণের আরও কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করে শীর্ষ মহল। পাশাপাশি ঈদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার মধ্য দিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া মান-অভিমান ও ক্ষোভ-দুঃখ ঘোচানোর পথ তৈরি হবে, যার ওপর নির্ভর করেই আগামীতেও নিয়মিতভাবে এলাকাতে যাতায়াত করতে পারবেন তারা।  আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলের প্রায় অধিকাংশ নেতা ও এমপি-মন্ত্রী এবার ঈদ এলাকাতে করবেন। এদের অনেকেই বৃহস্পতি ও শুক্রবার এলাকায় গেছেন। আজ এলাকায় যাবেন অনেকেই। আবার কেউ কেউ ঈদের দিন গণভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েই এলাকার দিকে রওনা হবেন। নেতাদের দাবি, প্রতি বছরই দলীয় এমপি-মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতাদের এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ থাকে। এবারও তেমনটাই আছে। ব্যতিক্রম শুধু এবার ঈদের আনন্দের পাশাপাশি আগামী নির্বাচনের বিষয়টিও উঠে আসবে। তাই এলাকায় ঈদ করার তাগিদটাও বেশি। এ সুযোগে সর্বস্তরের জনগণের পাশাপাশি কথা বলা যাবে নেতাকর্মীদের সঙ্গেও। তবে অনেকেই এরই মধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। এরই মধ্যে প্রায় প্রত্যেকেই এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে নিয়ে ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি এলাকার মানুষের মাঝে ঈদের উপহার বিতরণ করেছেন। এখনও করছেন।  
শুক্রবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় স্থানীয় এমপি ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দেন। তিনি প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের মাঝে এ উপহার তুলে দেন। ঈদ উপহারের মধ্যে নতুন শাড়ি, লুঙ্গি, সেমাই, চিনি ও দুধ বিতরণ করেন তিনি। অন্যদিকে প্রতিবারের মতো এবারও এলাকায় ঈদ করবেন পররাস্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি। বাঘা-চারঘাটের সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এলাকায় চলে গেছেন তিনি। থাকবেন ঈদ পর্যন্ত। এর মধ্যে ইফতার মাহফিলের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। নিজ এলাকার আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতা যারা বিভিন্ন সময় মারা গেছেন, তাদের পরিবারের জন্য ঈদের উপহার নিজে গিয়ে পৌঁছে দেবেন। কয়েক বছর ধরেই তিনি এ কাজ করে আসছেন।
জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম জানান, সব সময়ই এলাকার মানুষের সঙ্গে ঈদ করেন নেতাকর্মীরা। এর জন্য আলাদাভাবে নির্দেশ দেয়ার কিছু নেই। শনিবার আমিও এলাকায় যাব ঈদ করতে। ঈদ পর্যন্ত সেখানেই থাকব। ঈদের খুশি ভাগাভাগি করে নিতে গরিব-দুঃখীদের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দেয়ার চেষ্টা করব এবারও।  


বিএনপি নেতাদের ঈদ : আগামী জাতীয় নির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বিএনপি। এ কারণে রাজধানীতে অবস্থানরত দলের নেতাকর্মীদের নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সরকারের দাবি আদায়ে জনমত গড়ে তোলার জন্য এ ঈদকে কাজে লাগাতে নেতাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন নিজে এবং দলের মহাসচিবের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট নেতাদের এ নির্দেশনা দিয়েছেন। সূত্র জানায়, গুলশান কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে দলের নেতাদের মধ্যে যারাই যাচ্ছেন, তাদের তিনি বলছেনÑ আপনারা যার যার এলাকায় যান। দলের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ান, জনগণের পাশে দাঁড়ান। সুযোগ পেলে গণসংযোগ করুন। জনগণকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য তৈরি করুন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের পক্ষ থেকেও একই ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহ-সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী জানান, চেয়ারপারসনের নির্দেশনা অনুযায়ী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের নেতাদের যথাসম্ভব নিজ নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপনের কথা বলেছেন। সে অনুযায়ী অধিকাংশ নেতা ঢাকার বাইরে ঈদ করবেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ঈদের দিন দুপুর ১২টা থেকে পৌনে ১টা পর্যন্ত কূটনীতিকদের সঙ্গে, পৌনে ১টা থেকে পৌনে ২টা পর্যন্ত বিশিষ্ট নাগরিক এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন খালেদা জিয়া। পরে বনানী কবরস্থানে ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করবেন। এরপর বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাবেন বিএনপি প্রধান।
বিগত কয়েক বছরে স্ত্রী ও একমাত্র মেয়েকে নিয়ে লন্ডনে ঈদ উদযাপন করেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে এবার প্রয়াত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী ও তার দুই মেয়ে তারেক রহমানের পরিবারের সঙ্গেই ঈদ উদযাপন করবেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী মেয়ের সঙ্গে ঈদ করবেন। এছাড়া বিএনপির সিনিয়র, মাঝারি সারি ও অঙ্গসংগঠনের অনেক নেতাই এবারও নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করবেন বলে জানা গেছে। আর যারা ঢাকায় ঈদ করবেন তাদের অনেকেই এরই মধ্যে নিজে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে নির্বাচনী এলাকার গরিব ও দুঃস্থদের মাঝে ঈদের পোশাক ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন।
পারিবারিক ও দলীয় সূত্র জানায়, স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম যশোরে, ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী চট্টগ্রামে ঈদ করবেন। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঈদের দিন সকালে তার নির্বাচনী এলাকা কেরানীগঞ্জে সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে ঢাকায় চেয়ারপারসনের অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ঢাকায় ঈদ করে পরের দিন নোয়াখালী নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার কথা রয়েছে। চট্টগ্রামে নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করবেন ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আকবর খন্দকার, মাহবুবুর রহমান শামীম, কাদের গনি চৌধুরী। নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীতে ঈদ করবেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান ও যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন।
কেন্দ্রীয় নেতা শওকত মাহমুদ কুমিল্লায়, মজিবুর রহমান সরোয়ার বরিশালে, হারুনুর রশিদ চাঁপাইনবাবগঞ্জে, খায়রুল কবির খোকন নরসিংদীতে, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ময়মনসিংহে, ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন সিলেটে, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নেত্রকোনায়, শফিউল বারী বাবু লক্ষ্মীপুরে, তাইফুল ইসলাম টিপু নাটোরের লালপুরে, আমিরুল ইসলাম খান আলীম সিরাজগঞ্জে, মাহবুবুল হাসান ভূইয়া ফরিদপুরে, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত যশোরে নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদ করবেন। এছাড়াও মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে হাসান মামুন, অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার, আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল রাজশাহীতে, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আবদুল মতিন, জয়ন্ত কুমার কু-ু, শাম্মী আক্তার, এম আমিনুল ইসলাম, আবদুল আউয়াল খান, মোস্তফা খান সফরী, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রেহেনা আক্তার রানু, শহীদুল্লাহ ইমরান ও বিল্লাল হোসেন তারেক নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ঈদ করবেন। এদের অনেকেই এরই মধ্যে ঢাকা ছেড়েছেন।
তবে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান ঢাকায় ঈদ করবেন। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে ঢাকায় ঈদ করবেন এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, এনাম আহমেদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, আবদুস সালাম, অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেল, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের মধ্যে যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানসহ অনেকেই ঢাকায় ঈদ করবেন।
কারাগারে বিএনপি নেতাদের ঈদ : গত বছরের তুলনায় এবার কারাগারে ঈদ করা বিএনপির নেতাদের সংখ্যা কিছুটা কম। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বেশ কয়েক বছর ধরেই কারাবন্দিদের সঙ্গে ঈদ করছেন। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ও যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরীসহ তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী এবার কারাগারে ঈদ করবেন।

এছাড়া জাপার কো-চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, তার নির্বাচনি এলাকা লালমনিরহাট-৩। রমজানে একদিন গ্রামে ছিলাম। ঈদ ঢাকায় করবো। তবে রমজানের পর আবারও গ্রামে যাবো। বড় ভাই পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সম্পর্কে জি.এম. কাদের জানান, তিনি ঢাকায় ঈদ করবেন।
মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার ঢাকাতেই ঈদ করার সম্ভাবনার কথা জানান। তিনি বলেন,ঈদ ঢাকা ও বাড়িতে করার সম্ভাবনা এখনও দুটোই রয়েছে।
জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদের নির্বাচনি এলাকা ফেনী হলেও সেখানে ঈদ করছেন না বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বাধ্যক্যের কারণে নির্বাচনে প্রার্থীতার সম্ভাবনাও ক্ষীণ তার। এছাড়া দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান সিলেটের একটি আসন থেকে প্রার্থী হলেও ঢাকাতেই ঈদ করবেন। দীর্ঘদিন ধরে আÍগোপনে থেকে রাজনীতি করার কারণে নির্বাচনি এলাকাতে নাও যেতে পারেন। সিনিয়র নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান রাজশাহীতে ঈদ করতে পারেন। নায়েবে আমির আনম শামসুল ইসলাম চট্টগ্রামেই ঈদ পালন করবেন। তিনি স্থানীয় ঈদগাহেই নামাজ আদায় করবেন বলে তার ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে। খুলনায় ঈদের নামাজ পড়তে পারেন নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার। সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান ও হামিদুর রহমান আযাদ আÍগোপনে থাকতে পারেন। তবে সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাদের কুমিল্লায় ঈদ করবেন বলে জানা গেছে। এছাড়া ঢাকা মহানগর আমির দক্ষিণ নুরুল ইসলাম বুলবুল তার নির্বাচনি এলাকাতেই ঈদ করতে পারেন।
বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব এম এ আউয়াল ঈদের নামাজ ঢাকায় পড়ে বিকালেই সংসদীয় এলাকা লক্ষ্মীপুর-১ আসন রামগঞ্জে যাবেন। সেখানেই স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। তিনি বলেন, শুধু ঈদ নয়, প্রত্যেক দিনই নির্বাচনি এলাকার মানুষদের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করি। আশা করছি আগামী নির্বাচনেও তারা আমার সঙ্গে থাকবেন।
খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী জানান, তার নির্বাচনি এলাকা সিলেট বিশ্বনাথ। ঈদের সময় বাড়িতে নামাজ পড়বেন এবং স্থানীয় মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ নির্বাচন করবেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থেকে। ঈদ করতে যাবেন নিজের এলাকায়। ফয়জুল্লাহ বলেন, প্রতি বছরই নিজের এলাকায় ঈদ করি। এবারও করবো। নিজের পরিবার, আÍীয়-স্বজনসহ এলাকার মানুষের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করবো।
ইসলামী ঐক্যজোটের সাংগঠনিক সচিব মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন জানান তার নির্বাচনি এলাকা কুমিল্লা জেলার হোমনা-তিতাস। তিনি বলেন, মক্কায় ঈদ করার সম্ভাবনা আছে। তবে ঢাকাতেও আছে। এক্ষেত্রে সময়মতো ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ঢাকাতেই ঈদের নামাজ পড়াবো।
বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি বারিধারা ডিওএইচএস মসজিদে ঈদের জামাত আদায় করবেন। এরপর খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং বিকালে বাসভবনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। আগামী মাস থেকে নির্বাচনি আসন নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) দীর্ঘ সময় অবস্থান করবেন।
মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া জাতীয় মসজিদ বায়দুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের জামাত আদায় করবেন। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে দলীয় প্রধানের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। ঈদের পরদিন নির্বাচনি আসন নরসিংদী-৩ (শিবপুর) জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান জানান, তার নির্বাচনি এলাকা পাবনা। ঈদুল ফিতর সেখানেই পালন করবেন। স্থানীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করে সাধারণ মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

সারাদেশ-এর সর্বশেষ

প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল জাতীয় পার্টি বামদল অন্যান্য দল প্রশাসন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশন শ্রমিক রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
সারাদেশ নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্ব রাজনীতি উন্নয়ন ও সংগঠন অন্যান সংবাদ প্রবাস সাক্ষাতকার বই মতামত ইতিহাস অর্থনীতি

সম্পাদক : আবু জাফর সূর্য

কপিরাইট © 2019 পলিটিক্সবিডি.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com