২ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ইংরেজি, ২:২৬ পূর্বাহ্ণ
Find us on facebook Find us on twitter Find us on you tube RSS feed
প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল জাতীয় পার্টি বামদল অন্যান্য দল প্রশাসন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশন শ্রমিক রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
সারাদেশ নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্ব রাজনীতি উন্নয়ন ও সংগঠন অন্যান সংবাদ প্রবাস সাক্ষাতকার বই মতামত ইতিহাস অর্থনীতি
15 Jun 2017   05:19:33 PM   Thursday BdST A- A A+ Print this E-mail this

নির্বাচনী আইন সংস্কারে

মাঠ কর্মকর্তাদের একগুচ্ছ প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
পলিটিক্সবিডি.কম
নির্বাচনী আইন সংস্কারে মাঠ কর্মকর্তাদের একগুচ্ছ প্রস্তাব

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মাঠ কর্মকর্তারা নির্বাচনী আইন-বিধি সংস্কারে একগুচ্ছ প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থীতার পক্ষে ভোটারের সমর্থনের বিষয়টি বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। নির্বাচনী আইন সংস্কারে কর্মকর্তাদের প্রস্তাব পাঠানোর শেষ সময় ছিল গত মঙ্গলবার। তাদের প্রস্তাবের মধ্যে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ফি অফেরতযোগ্য ১ লাখ টাকা, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অর্থদণ্ড ১ লাখ করা, পরপর তিনটি সংসদে ৫ শতাংশ আসনে (১৫টি আসন) ও ৫ শতাংশ ভোট না পেলে নিবন্ধন বাতিলের সংস্কার আনার সুপারিশও রয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা  যায়, মাঠ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা তার সুপারিশে স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থীতার পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা, ২০১১ বিলুপ্তির সুপারিশ করেছেন।  বর্তমানে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইলে হয় তাকে আগে অন্তত একটি সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে হবে। আর তা না হলে মনোনয়নপত্রের সাথে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা জমা দেয়ার বিধান রয়েছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ-১৯৭২, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮, সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০০৮, স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থীদের পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা-২০১১, নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন-১৯৯১ এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ অধ্যাদেশ-১৯৭৬ (অধ্যাদেশ ১৯৭৬) এর বিষয়ে অধীনস্থদের সঙ্গে আলোচনা করে ইসিতে প্রস্তাব পাঠাতে বলা হয়। গত ২৯ মে সংশ্লিষ্টদের এসব বিষয়ে পাঠানো চিঠিতে ১৩ জুনের মধ্যে মতামত দিতে বলে ইসি।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, আইন সংস্কারকে সামনে রেখে দুটি আলাদা সুপারিশ বর্তমান ইসির কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে। যাতে বিবেচনার জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ থাকবে। অধিকাংশ সুপারিশগুলো বেশ গঠনমূলক। পাশাপাশি আগের সুপারিশগুলোর পুনরাবৃত্তিও এসেছে। রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জি এম সাহতাব উদ্দিন কমিশনে পাঠানো প্রস্তাবে গণপ্রতিনিধি আদেশ নিয়ে ১৩টি, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধি ও আচরণবিধি, নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে চারটি, স্বতন্ত্র প্রার্থিতায় বিদ্যমান বিধি বিলোপ, নির্বাচন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরো আটটি সুপারিশ রয়েছে।
এ কর্মকর্তা রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ফি ৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অর্থদণ্ড ১ লাখ করা, পরপর তিনটি জাতীয় সংসদে ৫ শতাংশ আসনে ও ৫ শতাংশ ভোট না পেলে নিবন্ধন বাতিলের সংস্কার আনার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে ভোটের সময় সকাল আটটার পরিবর্তে এক ঘণ্টা এগিয়ে নেয়ারও সুপারিশ রয়েছে তার। ভোটের নির্বাচন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিমের পাশাপাশি ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদেরও আচরণবিধি লঙ্ঘনে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার প্রস্তাব রেখেছেন এক আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা।
এছাড়াও ফরম, প্যাকেট গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে কমিয়ে এনে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাজ সহজতর করা; ইসির ব্যবস্থাপনায় ভোটার স্লিপ বিতরণ; প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে ইসির একই মঞ্চে বিতর্ক; ভোট সাতটা থেকে তিনটা করা, ভোটকক্ষের সংখ্যা কমানো; ইভিএম ও ভোটার সচেতনতা বাড়ানো, স্বয়ংক্রিয় সিল, স্মার্ট ভোটকক্ষ তৈরিসহ মাঠ কর্মকর্তাদের একগুচ্ছ সুপারিশ রয়েছে।
জানতে চাইলে ইসির সহকারী সচিব রৌশন আরা বেগম বলেন, মাঠ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আমরা বেশ কিছু প্রস্তাবনা পেয়েছি। সুপারিশগুলো একীভূত করে কমিশনের বিবেচনার জন্য শিগগিরই উপস্থাপন করা হবে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

নির্বাচন কমিশন-এর সর্বশেষ

প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল জাতীয় পার্টি বামদল অন্যান্য দল প্রশাসন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশন শ্রমিক রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
সারাদেশ নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্ব রাজনীতি উন্নয়ন ও সংগঠন অন্যান সংবাদ প্রবাস সাক্ষাতকার বই মতামত ইতিহাস অর্থনীতি

সম্পাদক : আবু জাফর সূর্য

কপিরাইট © 2019 পলিটিক্সবিডি.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com