২ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯ ইংরেজি, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ
Find us on facebook Find us on twitter Find us on you tube RSS feed
প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল জাতীয় পার্টি বামদল অন্যান্য দল প্রশাসন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশন শ্রমিক রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
সারাদেশ নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্ব রাজনীতি উন্নয়ন ও সংগঠন অন্যান সংবাদ প্রবাস সাক্ষাতকার বই মতামত ইতিহাস অর্থনীতি
04 Feb 2015   09:07:13 PM   Wednesday BdST A- A A+ Print this E-mail this

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন

ইসির প্রস্তুতি : মে-জুনে নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পলিটিক্সবিডি.কম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ‘কাউন্টডাউন’ শুরু হয়েছে আজ। আইন অনুযায়ী আগামী ১৮০ দিন অর্থাৎ ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) এ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও শুরু করেছে কমিশন। তৈরী করা হয়েছে নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা। সে অনুযায়ী আগামী মে মাসের শেষে বা জুনের শুরুতেই এ নির্বাচন করা হবে বলে ইসির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন। তবে সিটি করপোরেশনের সীমানা বাড়ানো নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে রয়েছে নানান গুঞ্জন। 
ইসি কর্মকর্তারা জানায়, আইন অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শেষ হবে। এরপর দ্রুত ভোটার তালিকার সিডি তৈরী করতে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগকে আগে থেকেই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাঁরা জানান, আইন অনুযায়ী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে স্থানীয় সরকার বিভাগের মতামত নেয়ার প্রয়োজন নেই। সময়মত  অর্থাৎ আগামী মে মাসের শেষে বা জুনের শুরুতে এ নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। কারণ জুনের মাঝামাঝি সময়ে রোজা শুরু হতে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত রয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত সীমানা বাড়ানো নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে কোনো চিঠি পায়নি ইসি। এ ধরনের কোনো চিঠি জারি না হওয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো বাঁধা নেই। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সব কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের চিন্তা করছে কমিশন। যদিও এ মেশিনের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট শাখা সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম সিটিতে সর্বশেষ নির্বাচন হয় ২০১০ সালের ১৭ জুন। তাতে মেয়র পদে বিএনপি সমর্থিত মোহাম্মদ মনজুর আলম আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ৯৫ হাজার ৫২৮ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। নির্বাচিত সিটি করপোরেশনের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় ওই বছরের ২৭ জুলাই। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এর ৬ ধারা অনুসারে নির্বাচিতদের মেয়াদ প্রথম সভা অনুষ্ঠানের দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর পর্যন্ত। একই আইনের ৩৪(খ) ধারা অনুযায়ি, ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে অনুযায়ী ইসিকে আগামী বছরের ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে এ নির্বাচন করতে হবে।
ইসির নির্বাচন শাখার কর্মকর্তারা জানায়, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ মে মাসের শেষ দিকে বা জুনের প্রথম দিকটি বিবেচনা করছে ইসি। জুনের মাঝামাঝিতে মাহে রমযান শুরু হতে যাওয়ায় এ বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে মে’ মাসে ভোটগ্রহণের কথা জানান। কমিশনের কর্মকর্তারা বলেন, ভোটগ্রহনের ৪৫-৫০ দিন সময় রেখে তফসিল ঘোষণা করা হবে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের নাম উল্লেখ করে ব্যালট পেপার ছাপানো হয়।
মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচন সামনে রেখে চট্টগ্রামের সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলররা দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন। গোপনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কেউ কেউ। মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পেতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বেশ কয়েকজন কেন্দ্রে যোগাযোগ শুরু করেছেন। দুই দলে একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আভাস দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় আঞ্চলিক কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন বলেন, ইসি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মূলত: মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু হয়। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম চলাবস্থায় নির্বাচন কর্মকর্তারা ভোটার তালিকায় কোনো ধরনের মুদ্রণজনিত ভুল আছে কিনা তা যাচাই করেছেন। এটি নির্বাচনে কাজে লাগবে। সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রগুলোর অবস্থা ও স্থাপনা ঠিক আছে কিনা তা যাচাই করতে ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে যাবেন। তফসিল হলে প্রস্তুতি নিতে বেশি সময় লাগবে না। নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইভিএম ব্যবহারের চিন্তাভাবনা চলছে। সীমানা সম্প্রসারণের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. আবদুল বাতেন বলেন, সীমানা সম্প্রসারণ নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ কোনো চিঠি দিয়েছে বলে আমি জানি না। নির্বাচন নিয়ে কোনো জটিলতা হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না।


ভোট কেন্দ্র ও ভোটার সংখ্যা:


ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে চট্টগ্রাম মহানগরীতে ভোটার বেড়ে যাওয়ায় বাড়ছে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা। ২০১০ সালের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৬ লাখ ৯৪ হাজার ৯৫৫জন, ভোটকেন্দ্র ছিল ৬৭৪টি। এবার ভোটার সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১৯ লাখে উন্নীত হচ্ছে। এতে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা বেড়ে সাতশ’র বেশি হবে বলে জানান আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের ২১টি কেন্দ্রে ইভিএম মেশিনের সফল ব্যবহার করা হয়েছিল।


সীমানা সম্প্রসারণ জটিলতা:

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সীমানা সম্প্রসারণ নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কেউ কেউ। চট্টগ্রাম মহানগরীর আয়তন বাড়াতে স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন আইনি জটিলতা দেখা দিতে পারে, সেক্ষেত্রে আটকে যেতে পারে নির্বাচন। জানা গেছে, ৪১টি ওয়ার্ড নিয়ে বর্তমানে চট্টগ্রাম মহানগরীর আয়তন বর্তমানে ৬০ বর্গমাইল থেকে বাড়িয়ে এ সীমানা দ্বিগুণ করার আবেদন করা হয়েছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

নির্বাচন কমিশন-এর সর্বশেষ

প্রচ্ছদ আওয়ামী লীগ বিএনপি ধর্মভিত্তিক দল জাতীয় পার্টি বামদল অন্যান্য দল প্রশাসন জাতীয় সংসদ নির্বাচন কমিশন শ্রমিক রাজনীতি ছাত্র রাজনীতি
সারাদেশ নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্ব রাজনীতি উন্নয়ন ও সংগঠন অন্যান সংবাদ প্রবাস সাক্ষাতকার বই মতামত ইতিহাস অর্থনীতি

সম্পাদক : আবু জাফর সূর্য

কপিরাইট © 2019 পলিটিক্সবিডি.কম কর্তৃক সর্ব স্বত্ব ® সংরক্ষিত। Developed by eMythMakers.com